প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, হাক্কানী মোহাম্মদপুর মোহাম্মদীয়া হাউজিং এর জনৈক হাজী মকবুল হোসেনের ৮২/২ বিল্ডিং এর কেয়ারটেকার। অপরদিকে নেপালী নাগরিক অরুণ কুমার চৌধুরী হাজী মকবুল হোসেন এর মালিকানাধীন বেসরকারী শমরিতা মেডিকেল কলেজে নেপালী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করায়। শমরিতা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা হাজী মকবুল হোসেনের ৮২/২ বিল্ডিং এ বসবাস করত। একই বিল্ডিং এর ৬ষ্ঠ তলায় অরুণও থাকত। তাই হাক্কানী ও অরুণের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ০৬/০৪/২০১৫ তারিখে তারা দুজন পরস্পর যোগসাজশে নেপালী ছাত্রীকে মোহাম্মদপুর হাউজিং এর ৮২/২ বিল্ডিং এ কৌশলে ডেকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পূর্বে তারা তাকে নেশাদ্রব্যযুক্ত পানীয় পান করায়। মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে অরুণ এবং হাক্কানী তাকে ধর্ষণ করে। এ সংক্রান্ত রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ০৯/০৪/২০১৫ তারিখে নেপালী নাগরিক আসামী অরুণ কুমার চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলার গুরুত্ব বুঝে তা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-পূর্ব) মোঃ মাহবুব আলম (পিপিএম) এর সার্বিক নির্দেশনায়, এডিসি খোন্দকার নুরুন্নবী এর তত্ত্বাবধানে, খিলগাঁও জোনাল টিম এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইকবাল হোছাইন পিপিএম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

No comments:
Post a Comment