Sunday, September 13, 2015

নেপালী মেডিকেল ছাত্রী ধর্ষণে জড়িত আসামী বাদশা গ্রেফতার

গত ১২/০৯/১৫ তারিখ ১১.১৫ টায় যশোরের শার্শা বেনাপোল থেকে নেপালী মেডিকেল ছাত্রী ধর্ষণে জড়িত আসামীকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ। গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম সৈয়দ আবু খালিদ ইবনে হাক্কানী ওরফে বাদশা।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, হাক্কানী মোহাম্মদপুর মোহাম্মদীয়া হাউজিং এর জনৈক হাজী মকবুল হোসেনের ৮২/২ বিল্ডিং এর কেয়ারটেকার। অপরদিকে নেপালী নাগরিক অরুণ কুমার চৌধুরী হাজী মকবুল হোসেন এর মালিকানাধীন বেসরকারী শমরিতা মেডিকেল কলেজে নেপালী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করায়। শমরিতা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা হাজী মকবুল হোসেনের ৮২/২ বিল্ডিং এ বসবাস করত। একই বিল্ডিং এর ৬ষ্ঠ তলায় অরুণও থাকত। তাই হাক্কানী ও অরুণের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ০৬/০৪/২০১৫ তারিখে তারা দুজন পরস্পর যোগসাজশে নেপালী ছাত্রীকে মোহাম্মদপুর হাউজিং এর ৮২/২ বিল্ডিং এ কৌশলে ডেকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পূর্বে তারা তাকে নেশাদ্রব্যযুক্ত পানীয় পান করায়। মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে অরুণ এবং হাক্কানী তাকে ধর্ষণ করে। এ সংক্রান্ত রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ০৯/০৪/২০১৫ তারিখে নেপালী নাগরিক আসামী অরুণ কুমার চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলার গুরুত্ব বুঝে তা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-পূর্ব) মোঃ মাহবুব আলম (পিপিএম) এর সার্বিক নির্দেশনায়, এডিসি খোন্দকার নুরুন্নবী এর তত্ত্বাবধানে, খিলগাঁও জোনাল টিম এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইকবাল হোছাইন পিপিএম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Source

No comments:

Post a Comment